iam abonti

জীবন একখান বাঁশবাগান ।খালি বাঁশ আর বাঁশভালোবাসা বলতে এখনো তোমাকেই বুঝি
ঘৃণা বলতে এখনো তোমাকে
সংসার বলতে এখনো তোমাকে বুঝি
সুখ বলতেও আমি এখনো তোমাকে
কত টুকু পশু আছে, কতটা হিংস্রতা
কতটা দানব থাকে একজন মানুষের দেহে
... তোমাকে আমল ছুঁয়ে যেনে, আমি সমস্ত জেনেছি
তোমার তকের নিচে কত টুকু ক্লেদ
কতটা দ্রুদতা
চোখের তারায় তুমি কতটা রুখ পাপ
শরীলের ঘ্রাণ শুকে শুকে আমি সকল বুঝেছি
স্বপ্ন বলতে এখনো তোমাকেই বুঝি
কষ্ট বলতে এখনো তোমাকে
চুম্বনে তোমার লালা থেকে চুষে নেই
সংক্রামক ব্যাধি

তোমাকে আরোগ্য করি
তোমাকে শুশ্রূষা করি
তোমাকে নির্মাণ করি আমার বিনাশে
জীবন বলতে এখনো তোমাকে বুঝি
মৃত্যু বলতেও আমি এখনো তোমাকে

এখনো তুমি
তুমি ফিরবে কোন একদিন
হয়তো নীলিমায় হারানো কোন এক নিষ্প্রভ বেলায়।
নতুবা কোন এক নবীন হেমন্তে,
এক নতুন দিনের নির্মল খোলা হাওয়ায়।
অথবা কোন এক শ্রাবণের দিনে
আহরহ ঝরা ঘন কাল মেঘ বৃষ্টির
... মুহু মুহু নির্ঝর খেলায়।
তুমি ফিরবে কোন এক রাতে
পূর্ণিমার ভরা জোছনায়।
তুমি ফিরবে জানি বহুদিন পরে
হয়তো বা হাজার বছর পরে।
কোন এক নিঃস্ব হৃদয়ে,
লক্ষ্য প্রাণের ভিড়ে, তুমি ফিরবে।
বহুরুপে সেই প্রাণে, অনেক নবীনের ভিড়ে,
তোমার আমার গড়া ভালবাসার নীড়ে।প্রিয়তমা, তুমি হাতখানি রাখো আমার গুমোট বুকে।
শুনতে পাচ্ছো শব্দ?
কে যেনো হাতুড়ি ঠুকে চলছে?
সেখানে এক মিস্ত্রি থাকে,যে বানিয়ে চলেছে এক শবাধার ।
কার জন্যে জানো?—– আমার, আমার ।

... উল্লাসে বিদ্বেষে নিরন্তর সে হাতুড়ি ঠুকছে দুই হাতে,
কিছুতে ঘুমোতে পারছিনা আমি, দিনে কিংবা রাতে।

মিস্ত্রি, দ্রুত করো, তুমি কাজ শেষ করো তাড়াতাড়ি,
যাতে আমি অবশেষে শান্তিতে ঘুম যেতে পারি । ।

তুমি হাতখানি রাখোতোমার চোখেরও পাতা নাচে না
নাচে না আমারো পথ চেয়ে
তোমার ���ায়ে পায়ে মল বাজে না
বাজে না আমারো সাড়া পেয়ে

হাসো না হাসো না সে হাসি মধুময়
... তুমি আর নেই সে তুমি

তোমার সাপেরও বেণী দোলেনা
দোলে না হাওয়ার বাঁশী শুনে
তোমার চোখে বিজলী খেলে না
খেলে না মেঘেরো গর্জনে

গুনগুন গুনগুন করো না অসময়
তুমি আর নেই সে তুমি

জানি না জানি না কেন এমনও হয়
তুমি আর নেই সে তুমি
তুমি আর নেই সে তুমি
জানি না জানি না কেন এমনও হয়
তুমি আর নেই সে তুমি