Md Sirajul Islam
Advocate, Politician, and Freedom Fighter in গ্রাম-খোলাবাড়িয়া, উপজেলা-নলডাঙ্গা, জেলা-নাটোর।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সভাপতি নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ।
পিতা: মৃত মুনছুর আলী প্রাং।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-খোলাবাড়িয়া, উপজেলা-নলডাঙ্গা, জেলা-নাটোর।
বর্তমান ঠিকানা: মহল্লা কানাইখালী, নাটোর পৌরসভা, থানা ও জেলা-নাটোর।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি. এ. বিএড, এল. এল. বি।
জন্ম তারিখ: ১২-০১-১৯৫২।
বর্তমান পেশা: আইনজীবী, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জজ কোর্ট, নাটোর।
সভাপতি নাটোর জেলা আইনজীবী সমিতি (২০১৮ সালে ভোটে নির্বাচিত)।
রাজনৈতিক পদ: সভাপতিঃ ১, জেলা আওয়ামীলীগ, নাটোর।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড
১। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা ও ছাত্রদের ১১ দফা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহনের মাধ্যমে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন।
২। ১৯৬৮-১৯৭০ সাল পর্যন্ত নাটোর সরকারী কলেজ সংসদে বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হন। তৎকালীন সময় ১৯৭০ সালে ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে জাতীয় নির্বাচনে জনমত গঠনে আওয়ামীলীগের পক্ষে কাজ করেন এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সক্রিয় | ভূমিকা পালন করেন।
৩। ১৯৭১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সম্মুখ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন।
৪। ১৯৭২-১৯৭৩ সালে রাজশাহী বি এড কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কলেজ ছাত্র সংসদের
সহ-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
৫। ১৯৭২ সালে নাটোর থানা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
৬। ১৯৭৩-১৯৮২ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন।
৭। ১৯৭৫ সালে নাটোর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
৮। ১৯৮১ সালে নাটোর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
৯। নাটোর-২ আসনের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন পিপরুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে ৩ বার নির্বাচিত হন এবং একই সাথে নাটোরের এমপি শংকর গোবিন্দ চৌধুরীর সাথে সক্রিয়ভাবে জেলা পর্যায়ের রাজনীতিতে অংশগ্রহন করেন।
১০। ১৯৯০ সাল হতে নলডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১১। ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকারের আমলে রাজনৈতিক মামলায় হাজতে গমন করেন।
১২। ১৯৯১-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৩। আক্রমনের শিকারঃ (১ম বার) | ১৯৯৪ সালে নাটোর-২ আসনের আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের কারনে বিএনপির | সন্ত্রাসীদের (রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বাহিনীর) চরম শিকার হয়ে মরণাপন্ন অবস্থা থেকে ফিরে আসেন।
১৪। ১৯৯৫ সাল থেকে অধ্যবদি নাটোর সদর থানা (নাটোর-২ আসন) ও জেলা পর্যায়ের
রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে শক্ত অবস্থায় তৈরি করায়
সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করেন।
১৫। ১৯৯৭ সালে নাটোর উপজেলা স্বনির্ভর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির পর পর ৩ বার চেয়ারম্যান
নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
১৬। নলডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি থাকাকালীন ১৯৯৮ সালে নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত বুড়ীরভাগ হাইস্কুল মাঠে তার সভাপতিত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এক বিশাল সমাবেশ করেন।