একুশেনিউজ টোয়েন্টিফোর
তথ্যগত অধিকার জন্মগত না হলেও জানার আকাঙ্ক্ষা মানুষের বরাবর এতটাই বেশি
ছিল যে তাকে জন্মগত বলা না হলেও সেটা যে স্বভাবসুলভ, এ ব্যাপারটা অস্বীকার
করার কোন অবকাশ নেই। কিন্তু অভিযোগ উত্থাপিত হয় তখন, যখন স্বভাবসুলভ কোন
ব্যাপার অস্বাভাবিক ভাবে আমাদেরকে এতটাই আচ্ছন্ন করে যে সেটা ব্যক্তি
স্বার্থের খাতিরে জাতি কিংবা বৃহৎ কোন গোষ্ঠীর স্বার্থকে এতটাই হেয়
প্রতিপন্ন ও খর্ব করে যে সেটা অসচেতন ভাবেই আমাদের সম্মিলিত কোন স্বার্থ ও
আকাঙ্ক্ষা যা আমাদের সামাজিকতা কিংবা জাতিগত অর্জনের মানদণ্ড কিংবা অহংকার
কে শুধু নিরর্থকই করে তুলে না বরং ভিবভ্রান্ত করে তুলতে সহায়ক ভূমিকায়
অবতার হিসাবে আবর্তিত হয়। খণ্ডনের বিচারে এমন অভিযোগ কখনোই কাম্য হতে পারে
না। সৃষ্টিশীল ও বিবর্তনের চিরাচরিত ধারায় তিলকে তাল ভাবা যেতেই পারে,
কিন্তু ভাবনার বিচারে সেটা মোহ বলেই গণ্য হতে হবে। অন্যথায় সেটা কে
সার্বজনীন ভাবে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে যদি বাধ্যবাধকতা কিংবা চাপিয়ে
দেয়ার কোন প্রয়াস থাকে তবে সেটা প্রতিহত কিংবা প্রতিরোধের চেষ্টা করাটা
আমাদের জন্মগত অধিকারের মধ্যেই বর্তায়, যদি না আমরা অসচেতন হই। আর সচেতন
ভাবে দায়িত্ববোধের সেই ভাবনার জগতে উঁকি দিয়ে আমরা যা কিছুই চিন্তা করি
না কেন, তার একটা পরিপূর্ণ ও সমসাময়িক রূপ দেওয়া একটু দুরূহই বটে। কিন্তু
কাজটা দুরূহ বলেই কেউ যে কখনো চেষ্টা করেনি তা কিন্তু নয়। যদিও প্রয়াস
টুকু সম্মেলিত কিন্তু সেটা গোষ্ঠী বিশেষে স্বতন্ত্র। যেমন একজন শিল্পীর
ভাবনায় আমরা সমসাময়িক কিংবা প্রয়াত কোন কিছুকে যে রকমভাবে উপলব্ধি করতে
পারি, সে রকমভাবে একজন গায়ক কিংবা লেখকের ভাবনায় কিন্তু পারি না। যদিও
তাদের প্রকাশ ভঙ্গি ভিন্ন এবং স্ব স্ব মহিমায় মহিমান্বিত, তথাপি
প্রত্যেকের ভাবনায় কিন্তু সময়ের একটা ছোপ ঠিক পাওয়া যায়। যা প্রয়াত কে
হয়ত সবসময় মহিমান্বিত করতে পারে না, কিন্তু সময়ের বাঁকে যারা শেকড়ের
সন্ধান করে, অন্তত তাদের কে কখনো ভিবভ্রান্ত করে না। সময়টা কঠিন হলে
পরিস্থিতি হয়তো মাঝে মাঝে আমাদের কে বিব্রত করে তুললে পারে; কিন্তু আমরা
যেন ভিবভ্রান্তিতে জড়িয়ে না যাই সেই প্রচেষ্টার একটা বহিঃপ্রকাশ আমাদের
ভাবনার এই প্রয়াত ও সমসাময়িক অবয়ব "একুশে নিউজ টোয়েন্টিফোর"
(ekusheynews24)।