Mesbah Patwary
Journalist in Dhaka, Bangladesh
Mesbah Patwary
Journalist in Dhaka, Bangladesh
মিছবাহ পাটওয়ারী। পুরো নাম মুহাম্মাদ মিছবাহ উদ্দিন। সমসাময়িককালের এক স্তম্ভপ্রতিম গণমাধ্যমকর্মী। পেশাগত কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে লেখা সহস্রাধিক সংবাদের এক বলিষ্ঠ উদগাতা। দৈনন্দিন ঘটনাবলির বাইরে বিশ্ব রাজনীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির নানা সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ উঠে এসেছে তার ক্ষুরধার লেখনীতে। নিত্যনতুন বিষয় নিয়ে তার লেখা ফিচার জ্ঞানপিপাসু পাঠকের মনের খোরাক বটে! তার কলমে খবর, খবরের ভিতরের খবর আর বিচিত্র ফিচার আইটেম মিশেছে এক মোহনায় এসে।
লেখালেখির জায়গাটা মূলত গণমাধ্যম। লিখেছেন আমাদের অর্থনীতি, আমাদের সময়, সমকাল, বর্তমানের মতো দৈনিকগুলোতে। অনলাইন সংবাদ মাধ্যম প্রাইম খবর (বর্তমানে প্রাইম নিউজ ডট কম ডট বিডি) ও আমাদের সময় ডট কমে প্রকাশিত লেখার সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। তার লেখায় বাংলা শিশুসাহিত্য ও ফিচার দুনিয়ার অন্যতম পুরোধা ‘ধ্রুব নীল’খ্যাত সাংবাদিক-সাহিত্যিক ফয়সল আবদুল্লাহর ছাপ পাওয়া যায়। পূর্বসূরি ধ্রুব নীলের সাহচর্যকে কাজে লাগিয়ে নিজের সৃজনশীলতাকে একটা নতুন উচ্চতা প্রদানের প্রয়াস চালিয়েছেন।
জন্ম ও পরিবার :
জন্ম ১৯৮৬ সালের ৩০ নভেম্বর। জন্মস্থান লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর পাটওয়ারী বাড়ির মাতুলালয়।
বাবা মো. মোছলেহ উদ্দিন সরকারি কর্মকর্তা। পরিসংখ্যান অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও বান্দরবান জেলায়। ধার্মিক, সত্, সজ্জন ও মিশুক প্রকৃতির মানুষ হিসেবে এলাকায় তার বেশ সুনাম আছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাপুটে কর্মকর্তা হয়েও খুব সহজেই মানুষকে আপন করে নেয়ার মোহনীয় ক্ষমতা ছিল তার মধ্যে।
একজন মা সবসময়ই সন্তানের শিক্ষক। তার মা স্কুলশিক্ষিকা হওয়ায় মিছবাহ আক্ষরিক অর্থেই মায়ের ছাত্র। দাদাবাড়ি সংলগ্ন বাঙ্গাখাঁ ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মায়ের সুবাদে পেয়ে���েন অন্য শিক্ষকদের বাড়তি স্নেহ। তার বাবাও এই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। যে মায়ের হাত ধরে হাঁটতে শেখা, শৈশব, কৈশোর, ছাত্রজীবন পেরিয়ে ব্যস্ত কর্মজীবনেও মায়ের আবেগ, ভালোবাসার উষ্ণতা সবসময়ই তাকে আগলে রেখেছে। নিজের হাজার কষ্ট সন্তানকে এতটুকু বুঝতে দিতে রাজি নন মা। যদি সন্তান কষ্ট পায়! মাছ কাটতে গিয়ে হাত কেটে রক্ত বের হয়। ডাক্তারের কাছেও যেতে হয়। কিন্তু প্রিয় সন্তানকে বলতেই যত আপত্তি। শুনে হয়ত ছেলে মন খারাপ করবে।
দাদাবাড়ি লক্ষ্মীপুর সদরের মান্দারী ইউনিয়নের যাদিয়া বড় বাড়ি। পঞ্চম শ্রেণীতে থাকাকালে তার পরিবার গ্রামের বাড়ি থেকে নিজেদের শহরের বাসায় ওঠে। স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তির জন্য রাজধানী ঢাকায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর ডিসি অফিস সংলগ্ন সমতা কলোনির এ বাসাই ছিল তার ঠিকানা।
Facebook: