Yeakub Ali Tuhin
Teacher, Writer, and Web Developer in Jagannathpur, Sunamganj
ইয়াকুব আলী তুহিন একজন উদীয়মান কবি, যিনি ১৯৯৭ সালের ১৫ই এপ্রিল সুনামগঞ্জ জেলাধীন জগন্নাথপুর উপজেলার হিজলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা উকিল আলী ও মাতা জয়নব বিবির আদরে গড়ে ওঠা কবি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন নিজের গ্রামে। শৈশব থেকেই তাঁর মধ্যে সাহিত্যপ্রেমের বীজ অঙ্কুরিত হয়, যা পরবর্তীতে তাঁর কবি জীবনের ভিত্তি তৈরি করে।
শিক্ষাজীবনে তিনি মানবিক বিভাগের ছাত্র ছিলেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে Philosophy (দর্শন) বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
লেখালেখির জগৎ মূলত অনুগল্প ও ছোট গল্পের মাধ্যমে শুরু হলেও কবিতা-ই তাঁর প্রধান আকর্ষণ। বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তিনি শখের বশে ছোট গল্প ও কবিতা লিখে থাকেন, তবে কবিতার জগতে তাঁর বিচরণ সবচেয়ে বেশি। তাঁর কবিতাগুলো চমকপ্রদ ও ব্যতিক্রমধর্মী, যা পাঠককে ভাবনার জগতে নিয়ে যায়।
তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, মানবিকতা এবং সমাজ জীবনের গভীর দর্শন ফুটে ওঠে।
তাঁর লেখা প্রথম যৌথ কাব্য সংকলন "চব্বিশের গণবিস্ফোরণ"। প্রথম কাব্যগ্রন্থ “জন্মভূমির কথা”
দর্শনের ছাত্র হিসেবে জগতের প্রতিটি গতির অন্তরালে একটি গাণিতিক শৃঙ্খলা থাকে। সেই শৃঙ্খলা থেকেই তিই প্রবর্তন করেছেন চারটি নতুন ছন্দ:
১. ত্রিপদী-তরঙ্গ (৩+৩+৫): যেখানে স্থবিরতা থেকে তরঙ্গের মতো প্রবাহ তৈরি হয়।
২. বিন্দু-বৃত্ত ছন্দ (২+৪+৮): যা ক্ষুদ্র বিন্দু থেকে শুরু হয়ে পূর্ণাঙ্গ বৃত্তে বা দর্শনে উপনীত হয়।
৩. নূরী ছন্দ(৪+৪+৪+২): যা মানুষের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের গতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এক রাজকীয় গাম্ভীর্য ধারণ করে।
৪. পিরামিড ছন্দ (৪+৮+৪): যা আরোহণ ও অবরোহণের মাধ্যমে ভাবের শিখরে পৌঁছায়।
পেশায় তিনি একজন শিক্ষক। প্রথম জীবনে কিছুদিন মাল্টিপ্রোডাক্ট লিমিটেড কোম্পানিতে কাজ করলেও পরে শিক্ষকতাকেই তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার শাহপরাণ মডেল হাই স্কুলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে শিক্ষকতা করেন।
তাঁর প্রকৃত সত্তা একজন কবি, যিনি ভ্রমণপিপাসু মন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের রসে ডুবে থাকেন। ভ্রমণ করতে করতে তিনি বাংলা সাহিত্যের গহীন রস সংগ্রহ করেন এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয় তাঁর কবিতার ছন্দ।